বিশ্বব্যাপী পরিশোধিত তামার উৎপাদন প্রবৃদ্ধি আগামী বছর উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস পেতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল কপার স্টাডি গ্রুপের (আইসিএসজি) সেক্রেটারি জেনারেল পল হোয়াইট ওয়ার্ল্ড কপার কনফারেন্স ২০২৫-এ দেয়া এক বক্তব্যে এমন পূর্বাভাস দেন। খবর রয়টার্স ও হেলেনিক শিপিং নিউজ।
পল হোয়াইট জানান, ২০২৬ সালে পরিশোধিত তামার উৎপাদন প্রবৃদ্ধি হতে পারে দশমিক ৯ শতাংশ, যা আগে প্রকাশিত ৩ দশমিক ৪ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে কম।
তিনি আরো জানান, আগামী বছর তামার বাজারে ১ লাখ ৫০ হাজার টন ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এ সময় পরিশোধিত তামার ব্যবহার বাড়তে পারে ২ দশমিক ১ শতাংশ।
পল হোয়াইটের দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী খনি থেকে তামার উত্তোলন ২০২৬ সালে ২ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়বে।
এর আগে সরবরাহ সংকট তীব্র হওয়ায় আগামী বছর বিশ্ববাজারে তামার মূল্যবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান ইউবিএস। ব্যাংকটির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৬ সালের মার্চে তামার দাম পৌঁছতে পারে টনপ্রতি ১১ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত। এছাড়া আগামী বছরের জুন ও সেপ্টেম্বরে ধাতব পণ্যটির দাম যথাক্রমে ১২ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ ডলারে দাঁড়াতে পারে। এটি আগে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় ১ হাজার ডলার বেশি।